মূল বিষয়বস্তুতে যান
বাংলাEN

🎓 শিক্ষা ডেস্ক

তরুণের স্বপ্ন প্রকল্প: ₹১০,০০০ DBT-র স্ট্যাটাস, পেমেন্ট চেক ও ২০২৬-এর হালনাগাদ খবর

তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের সম্পূর্ণ তথ্য — একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের ₹১০,০০০ এককালীন DBT, কারা পেয়েছেন, টাকা আসে কি না কীভাবে চেক করবেন, এবং ২০২৬ সালে প্রকল্পটির হালনাগাদ অবস্থা।

🗓️ প্রকাশ: ১ অক্টোবর, ২০২৬✏️ আপডেট: ১ অক্টোবর, ২০২৬✍️ বাংলাইনফো শিক্ষা ডেস্ক🛡️ যাচাইকৃত: ১ অক্টোবর, ২০২৬📖 ২ মিনিট পড়া

তরুণের স্বপ্ন ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির একটি — সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের স্মার্টফোন/ট্যাবলেট কেনার জন্য এককালীন ₹১০,০০০ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT)। ডিজিটাল পড়াশোনার সুবিধা ছড়িয়ে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। গুরুত্বপূর্ণ হালনাগাদ: ২০২৬ সালে রাজ্য সরকার প্রকল্পটি বন্ধ করার ঘোষণা করেছে — এই পাতায় থাকছে স্ট্যাটাস, পেমেন্ট চেক ও আগের বেনিফিশিয়ারদের করণীয়।

এক নজরে

বিষয় তথ্য
প্রকল্প তরুণের স্বপ্ন (Taruner Swapna)
সুবিধা ₹১০,০০০ এককালীন DBT
উপকারভোগী সরকারি/সরকার-পোষিত স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী
আবেদন ছিল না — স্কুল তালিকা পাঠাত
বর্তমান অবস্থা (২০২৬) বন্ধ ঘোষিত; নতুন সহায়তার ঘোষণা অপেক্ষমাণ

কারা যোগ্য ছিলেন

  • সরকারি/সরকার-পোষিত/সরকার-সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি।
  • ছাত্রছাত্রীর নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক — স্কুল ঠিক এই অ্যাকাউন্টের তথ্যই জমা দিত।
  • আলাদা আয়/মেধা শর্ত ছিল না।

টাকা আসে কি না কীভাবে চেক করবেন

  1. ব্যাঙ্ক পাসবুক/মোবাইল ব্যাঙ্কিং অ্যাপ খুলুন এবং DBT ক্রেডিট এন্ট্রি দেখুন — সরকারি পেমেন্টে সেন্ডার নাম সাধারণত “GOVT OF WB” ধাঁচের হয়, বিবরণে DBT/স্কিম কোড থাকে।
  2. স্কুলে যাচাই করুন: আপনার নাম ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর জমা পড়া তালিকায় সঠিক ছিল কি না।
  3. ভুল অ্যাকাউন্ট/নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট হলে টাকা ফেরত চলে যেতে পারে — ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট সচল ও আধার-লিঙ্কড রাখুন, সংশোধনী স্কুলে জানান।
  4. দেরি থাকলে BDO/জেলা শিক্ষা দফতরে স্কুলের মাধ্যমে অভিযোগ করুন।

২০২৬-এর ঘোষণা: প্রকল্প বন্ধ

২০২৬ সালে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে এই ₹১০,০০০ এককালীন সহায়তা বন্ধ করা হচ্ছে; উদ্দেশ্য বর্ণনা করে বিকল্প সহায়তার (যেমন ল্যাপটপ সরবরাহ) ইঙ্গিত মিলেছে, কিন্তু আনুষ্ঠানিক বিকল্প স্কিম ও বিজ্ঞপ্তি এখনও প্রকাশ্যে নেই। এ পর্যন্ত যা জানা যায়:

  • নতুন কোনও আবেদন খোলেনি — যে “তরুণের স্বপ্ন ২০২৬ অনলাইন আবেদন” লিঙ্ক বিজ্ঞাপনে দেখবেন, সেগুলি ভুয়া।
  • ইতিমধ্যে অনুমোদিত বেনিফিশিয়ারদের বাকি পেমেন্ট প্রক্রিয়া কী হবে — স্কুল/Banglar Shiksha পোর্টালের বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করুন।
  • বিকল্প স্কিম ঘোষিত হলে শিক্ষা বিভাগের সব হালনাগাদ আমাদের সাইটে দেওয়া হবে।

ডিজিটাল ডিভাইসের বিকল্প: এখন কী করবেন

  • উচ্চশিক্ষার খরচের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড — ₹১০ লক্ষ পর্যন্ত সুদহ্র ঋণ, ডিভাইস/ল্যাপটপ সহ পড়াশোনার খরচে ব্যবহারযোগ্য।
  • মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য SVMCM বৃত্তি — মাসিক নিয়মিত টাকা।
  • SC/ST/OBC ছাত্রছাত্রীদের জন্য OASIS বৃত্তি।

সম্পর্কিত পড়ুন

❓ সাধারণ প্রশ্ন

তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে কত টাকা ও কারা পেয়েছেন?

সরকারি/সরকার-পোষিত স্কুলের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ছাত্রছাত্রীরা এককালীন ₹১০,০০০ DBT পেয়েছেন — স্মার্টফোন/ট্যাবলেট কেনার অনুদান হিসেবে। টাকা স্কুলের পাঠানো তালিকা ধরে সরাসরি ছাত্রছাত্রীর ব্যাঙ্কে যেত।

২০২৬ সালে তরুণের স্বপ্ন কি বন্ধ?

২০২৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন প্রকল্পটির ₹১০,০০০ সহায়তা বন্ধ করা হচ্ছে; এর বদলে অন্য সহায়তার (ল্যাপটপ ইত্যাদি) ইঙ্গিত থাকলেও আনুষ্ঠানিক বিকল্প স্কিম এখনও পরিষ্কার নয়। নতুন আবেদনের কোনও সুযোগ নেই — Banglar Shiksha পোর্টালের বিজ্ঞপ্তি দেখুন।

তরুণের স্বপ্নের টাকা এখনও আসে কি না কীভাবে জানব?

নিজের ব্যাঙ্ক পাসবুক/ব্যাঙ্কিং অ্যাপে DBT ক্রেডিট এন্ট্রি দেখুন ("W/B GOVT OF WB"-র মতো সেন্ডার নাম থাকে)। না এলে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে নাম-তালিকায় আছেন কি না এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সঠিক ছিল কি না যাচাই করুন।

আবেদন করতে হয়েছিল কি?

না। আলাদা অনলাইন আবেদন ছিল না — স্কুল একাদশ শ্রেণির যোগ্য ছাত্রছাত্রীদের তালিকা (নাম, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সহ) শিক্ষা দফতরে পাঠাত, সেখান থেকেই DBT হত।

টাকা না পেয়ে অভিযোগ কোথায় করব?

প্রথমে স্কুলে, তারপর সংশ্লিষ্ট BDO/সার্কেল অফিস বা জেলা শিক্ষা দফতরে (DISE)। Banglar Shiksha পোর্টালের হেল্পডেস্ক চ্যানেলও ব্যবহার করা যায়। অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয়/ভুল থাকলে ব্যাঙ্কে সংশোধন করে স্কুলে জানান।

← সব শিক্ষা গাইড