মূল বিষয়বস্তুতে যান
বাংলাEN
🏛️পশ্চিমবঙ্গ সরকারি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প

NREGA জব কার্ড পশ্চিমবঙ্গ ২০২৬: নাম চেক, পেমেন্ট স্ট্যাটাস ও নতুন আবেদন (VB-G RAM G)

পশ্চিমবঙ্গে NREGA / VB-G RAM G জব কার্ড তালিকায় নাম চেক, মজুরি পেমেন্ট স্ট্যাটাস, নতুন জব কার্ড আবেদন ও মজুরি দেরির অভিযোগ — FY ২০২৬-২৭ এর নতুন নিয়ম (₹৩০০ দৈনিক মজুরি, ১২৫ দিন) সহ সম্পূর্ণ বাংলা গাইড।

আর্থিক অনুদান / সহায়তাদৈনিক মজুরি ₹৩০০ (পশ্চিমবঙ্গ, FY ২০২৬-২৭) + বছরে ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি
প্রশাসনিক দপ্তরগ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রক, ভারত সরকার (Ministry of Rural Development)
আবেদনের মাধ্যমগ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আবেদন
অফিসিয়াল হেল্পলাইন1800-111-555
অফিসিয়াল পোর্টালে যান ↗

আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস মিলিয়ে নিন

ক্যাম্পে বা অফিসে যাওয়ার আগে নিচের প্রতিটি নথিপত্র প্রস্তুত করে টিক মার্ক দিয়ে যাচাই করে নিন:

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ পরিবারগুলির কাছে NREGA জব কার্ড এখনও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ — এই কার্ডেই পরিবারের সদস্যদের নাম থাকে, এর ভিত্তিতেই সরকারি কাজে মজুরি মেলে, আর অন্য অনেক প্রকল্পের যাচাইয়েও এটি লাগে। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে এই প্রকল্পটির গল্পটাই বদলে গেছে।

🔄 সবচেয়ে বড় আপডেট (অক্টোবর ২০২৬): MGNREGA (মনরেগা) আইনটি বাতিল হয়ে তার জায়গা নিয়েছে নতুন VB-G RAM G Act, 2025 (Viksit Bharat – Guarantee for Rozgar and Ajeevika Mission (Gramin))। পশ্চিমবঙ্গে এই নতুন আইনের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, আর FY ২০২৬-২৭-এর নোটিফাইড মজুরি পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক ₹৩০০ — আগের বছরের ₹২৬০-এর থেকে বেশি। ভালো খবর: জব কার্ড চেক, পেমেন্ট স্ট্যাটাস — সবই আগের মতোই nrega.nic.in পোর্টালেই কাজ করে।

সংক্ষেপে উত্তর: জব কার্ডে নাম চেক করতে nrega.nic.in → Reports → State-wise Reports → West Bengal → Proceed → R1. Job Card/Employment Register → জেলা → ব্লক → পঞ্চায়েত বেছে নিন — লগইন লাগে না। মজুরি পেমেন্ট স্ট্যাটাস Financial Reports → Statement of Payment to Workers-এ জব কার্ড নম্বর দিয়ে দেখুন। নতুন জব কার্ডের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আধার কার্ড, ছবি ও ব্যাংক পাসবুক নিয়ে যান — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, ১৫ দিনের মধ্যে কার্ড। FY ২০২৬-২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক মজুরি ₹৩০০, কাজের গ্যারান্টি বছরে ১২৫ দিন (VB-G RAM G Act, 2025)।

এই গাইডে আমরা দেখব — জব কার্ডে নাম কীভাবে চেক করবেন, মজুরি পেমেন্ট স্ট্যাটাস কোথায় দেখবেন, নতুন জব কার্ডের জন্য কীভাবে বিনামূল্যে আবেদন করবেন, মজুরি আটকে গেলে কী করবেন, এবং নতুন আইনে ঠিক কোন নিয়মগুলি বদলেছে।


VB-G RAM G vs MGNREGA — কী কী বদলেছে? (এক নজরে)

বিষয় আগে (MGNREGA) এখন (VB-G RAM G, ২০২৫)
কাজের গ্যারান্টি বছরে ১০০ দিন / পরিবার বছরে ১২৫ দিন / পরিবার
দৈনিক মজুরি (পশ্চিমবঙ্গ) ₹২৬০ (FY ২০২৫-২৬) ₹৩০০ (FY ২০২৬-২৭)
বেকার ভাতা আছে বহাল আছে
কেন্দ্র-রাজ্য খরচ ভাগাভাগি মজুরির খরচ প্রায় পুরোটাই কেন্দ্রের নতুন ভাগাভাগি কাঠামো (~৬০:৪০), রাজ্যের বোঝা বেড়েছে
জব কার্ড ও পোর্টাল nrega.nic.in একই পোর্টালেই চলছে (ধাপে ধাপে নতুন রূপ)
জোর কর্মসংস্থানের অধিকার কর্মসংস্থান + জল সংরক্ষণ ও টেকসই গ্রামীণ সম্পদ

পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে একটি কথা জরুরি: ২০২১ সাল থেকে মনরেগার কেন্দ্রীয় তহবিল রাজ্যে আটকে থাকার জেরে দীর্ঘদিন কাজ-কান্ড কম ছিল। নতুন আইনের আওতায় রাজ্যে বাস্তবায়ন আবার শুরু হওয়ায় জব কার্ড যাচাই ও নতুন আবেদনের গুরুত্ব এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। পশ্চিমবঙ্গ বাজেটেও এই প্রকল্পের জন্য বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।


জব কার্ড কী এবং কেন এত জরুরি?

NREGA / VB-G RAM G জব কার্ড হল গ্রাম পঞ্চায়েত ইস্যু করা একটি সরকারি দলিল, যাতে একটি পরিবারের সব প্রাপ্তবয়স্ক (১৮+) সদস্যের নাম, ছবি ও একটি ইউনিক জব কার্ড নম্বর থাকে। এটি কেন লাগে:

  • কাজের এন্ট্রি টিকিট: এই কার্ড ছাড়া প্রকল্পের কাজে নাম নেওয়া যায় না।
  • মজুরির স্বীকৃতি: কাজের দিন, মজুরি ও পেমেন্টের হিসাব জব কার্ড নম্বরেই জমা হয়।
  • অন্য প্রকল্পে প্রমাণ: অনেক সময় গ্রামীণ পরিবারের আয়-স্থিতি যাচাইয়ে জব কার্ড দেখা হয়।
  • বিনামূল্যে ও আজীবন: কার্ড বানাতে বা বছরে বছরে নবীকরণে কোনো খরচ নেই।

জব কার্ড তালিকায় নাম চেক করুন (ধাপে ধাপে)

পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে, বিনা লগইনে, ফোন দিয়েই করা যায়। পথটি এই:

  1. ব্রাউজারে খুলুন nrega.nic.in (হোম পেজেই সব রিপোর্টের লিঙ্ক থাকে)।
  2. মেনু থেকে Reports → State-wise Reports বেছে নিন।
  3. রাজ্যের তালিকা থেকে West Bengal সিলেক্ট করে Proceed ক্লিক করুন।
  4. রিপোর্টের তালিকা থেকে ক্লিক করুন R1. Job Card/Employment Register।
  5. এবার আপনার জেলা → ব্লক → গ্রাম পঞ্চায়েত ধরে ধরে বেছে নিন।
  6. পঞ্চায়েতের সমস্ত জব কার্ডের তালিকা খুলে যাবে — সার্চ দিয়ে (Ctrl+F) নাম লিখে খুঁজুন বা পরিবারের জব কার্ড নম্বর মেলান।

💡 টিপ: তালিকায় জব কার্ড নম্বরটি একটি লিঙ্কের মতো দেখায়। সেটিতে ক্লিক করলে ওই কার্ডের সব সদস্যের নাম, কাজের দিন ও পেমেন্টের সম্পূর্ণ হিস্ট্রি খুলে যায়। আপনার নাম না থাকলে বা বানান ভুল থাকলে সঙ্গে সঙ্গে পঞ্চায়েতে জানিয়ে দিন।


মজুরি পেমেন্ট স্ট্যাটাস চেক করুন

কাজ করেছেন কিন্তু টাকা এল কি না জানতে:

  1. nrega.nic.in → Reports-এ যান।
  2. সেখান থেকে Financial Reports / Statement of Payment to Workers বেছে নিন।
  3. West Bengal → জেলা → ব্লক → পঞ্চায়েত সিলেক্ট করুন।
  4. আপনার জব কার্ড নম্বর / নাম ধরে পেমেন্ট রেকর্ড খুঁজুন — কোন মাসের কাজের কত টাকা কোন তারিখে ব্যাংকে গেল, সব দেখা যাবে।

FTO-র স্টেজ বুঝে নিন — টাকা কোথায় আটকে আছে

পেমেন্ট রেকর্ডে প্রতিটি মাসের এন্ট্রিতে একটি স্টেটাস থাকে:

স্টেজ মানে কী করবেন
Signed FTO পঞ্চায়েত পেমেন্ট ফাইল তৈরি করেছে, দ্বিতীয় সিগনেচার বাকি পঞ্চায়েত সচিবকে জানান
First Signatory প্রথম অফিসার স্বাক্ষর করেছেন, দ্বিতীয় স্বাক্ষর বাকি ব্লক অফিসে ফলো-আপ
Processed by NABL / Bank ব্যাংকে গিয়েছে, PFMS-এ প্রসেস হচ্ছে ২-৩ দিন অপেক্ষা করুন
Rejected / Rejected by Bank অ্যাকাউন্ট বা আধার-লিঙ্কে সমস্যা ব্যাংকে গিয়ে NPCI mapping ও DBT সক্রিয় করান

⚠️ মনে রাখবেন: টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (DBT) আসে — কোনও মধ্যস্থতাকারীর হাত ঘুরে নয়। “এজেন্ট কমিশন” চাইলে বিন্দুমাত্র দেবেন না, আর অভিযোগ করতে দ্বিধা করবেন না (নিচের অধিকার সেকশন দেখুন)।


নতুন জব কার্ডের জন্য আবেদন — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে

কারা আবেদন করতে পারবেন?

  • আবেদনকারীকে গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক (১৮+) সদস্য হতে হবে।
  • অদক্ষ মজুরি কাজ করতে ইচ্ছুক হতে হবে — কোনও শিক্ষাগত বা প্রযুক্তিগত যোগ্যতা লাগে না।
  • একটি পরিবারের সব প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য একই জব কার্ডে নাম তুলতে পারেন।
  • বাড়ি-ভাড়া থাকলেও যে গ্রামে বসবাস করছেন, সেই পঞ্চায়েতে আবেদন করা যায়।

আবেদনের ধাপ

  1. আপনার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে যান — আবেদন ফর্ম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাবেন।
  2. ফর্মে পরিবারের সদস্যদের নাম, বয়স, আধার নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য নির্ভুলভাবে লিখুন। নামের বানান আধারের সঙ্গে হুবহু মেলান।
  3. সঙ্গে জমা দিন: আধার কার্ড, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ব্যাংক পাসবুকের কপি (রেশন কার্ড থাকলে সেটিও)।
  4. জমা দেওয়ার পর রসিদ/এন্ট্রির স্বীকৃতি নিন এবং সেটি সংরক্ষণ করুন।
  5. নিয়ম অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে জব কার্ড ইস্যু হওয়া উচিত — তারপরেও না পেলে ব্লক অফিসে (BDO) অভিযোগ করুন।

⚠️ সতর্কতা: জব কার্ড বানাতে কারও সঙ্গে “লাগবে” বলে এক টাকাও দেবেন না। এজেন্ট, প্রক্সি বা অনলাইন “ফর্ম ফিলাপ সার্ভিস”-এর ফাঁদে পা দেবেন না — পুরো প্রক্রিয়া বিনামূল্যে, এবং শুধুমাত্র পঞ্চায়েত অফিসেই হয়।


জব কার্ড হারালে, বানান ভুল হলে, বা নাম বাদ পড়লে?

  • জব কার্ড হারিয়েছে: আধার কার্ড ও একটি ছবি নিয়ে পঞ্চায়েতে গিয়ে ডুপ্লিকেট কার্ডের আবেদন করুন — বিনামূল্যে ইস্যু হয়।
  • নাম/বয়সে ভুল: সংশোধনের লিখিত আবেদন করুন, আধারের কপি দিন। তালিকায় (R1 রিপোর্টে) সংশোধিত নাম ঠিক হয়েছে কি না মিলিয়ে নিন।
  • নতুন সদস্য যোগ / বিয়ের পর নাম স্থানান্তর: পঞ্চায়েতে ফর্ম পূরণ করে নতুন জব কার্ডে নাম যুক্ত বা স্থানান্তর করান।
  • নাম বাদ দেওয়ার নিয়ম: কোনও সদস্যের নাম জব কার্ড থেকে বাদ দিতে হলে পঞ্চায়েতকে লিখিত নোটিশ দিয়ে শুনানির সুযোগ দিতে হয় — কেউ “এক ফোনে/এক কথায়” নাম বাদ দিতে পারে না। এমন হলে ব্লক অফিসে অভিযোগ করুন।

মজুরি দেরি বা আটকে গেলে — আপনার অধিকার ও অভিযোগের পথ

নতুন আইনেও শ্রমিকের মূল অধিকারগুলি অক্ষুণ্ণ:

  • ১৫ দিনে মজুরি: কাজ শেষের ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাংকে মজুরি পাওয়ার অধিকার। দেরি হলে দেরির ক্ষতিপূরণ (delay compensation) পাওয়ার অধিকারও আছে।
  • ১৫ দিনে কাজ: কাজের আবেদনের ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দিলে বেকার ভাতা পাওয়ার অধিকার (দিনে অন্তত এক-চতুর্থাংশ মজুরি হারে)।
  • ১২৫ দিনের গ্যারান্টি: বছরে প্রতি পরিবারের জন্য।
  • ৫ কিমি নিয়ম: বাড়ি থেকে ৫ কিমি-র মধ্যে কাজ; বেশি দূরে হলে অতিরিক্ত ১০% ভাতা।
  • কর্মস্থলের সুবিধা: কর্মস্থলে ছায়া, খাবার পানি, প্রাথমিক চিকিৎসা ও শিশুদের দেখাশোনার ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক।

অভিযোগ করবেন যেভাবে

  1. অনলাইন: nrega.nic.in-এর Grievance Redressal সেকশনে জব কার্ড নম্বর দিয়ে অভিযোগ জমা দিন।
  2. লিখিত: গ্রাম পঞ্চায়েত ও ব্লক অফিসে (BDO) অভিযোগের একটি কপি জমা রাখুন — রসিদ নিন।
  3. হেল্পলাইন: টোল-ফ্রি নম্বর 1800-111-555-এ ফোন করুন।
  4. অভিযোগের পরও সমাধান না হলে জেলা পঞ্চায়েতের District Programme Coordinator (DPC)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠান।

কাজের হাজিরা ও NMMS অ্যাপ

কাজের দিনের হাজিরা NMMS (National Mobile Monitoring System) অ্যাপ দিয়ে কর্মস্থলে দু’বার ছবি-সহ নেওয়া হয়। মনে রাখবেন:

  • হাজিরা অ্যাপে না পড়লে সেই দিনের মজুরি প্রসেস হতে সমস্যা হতে পারে — কাজ শেষে মাস্টার রোলে আপনার হাজিরা ঠিকমতো উঠেছে কি না মিলিয়ে নিন।
  • মাস্টার রোল ও মাসিক হাজিরা রিপোর্ট nrega.nic.in-এ পঞ্চায়েত অনুযায়ী পাওয়া যায় — নিজের দিন মিলিয়ে নেওয়াই ভালো।

পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের জন্য আরও কিছু জরুরি পড়া

NREGA জব কার্ড যাঁদের আছে, তাঁদের পরিবারের জন্য এই প্রকল্পগুলিও দেখে নেওয়া দরকার:


সর্বশেষ যাচাই: ১ অক্টোবর ২০২৬। মজুরি হার ও নিয়ম প্রতি বছর সংশোধিত হয়, আর নতুন আইনের বাস্তবায়ন ধাপে ধাপে চলছে — চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে nrega.nic.in ও গ্রাম পঞ্চায়েতে সর্বশেষ তথ্য মিলিয়ে নিন।

এই প্রকল্প নিয়ে প্রশ্নোত্তর

NREGA আর MGNREGA কি একই? এখন নতুন নাম কী?

২০০৫ সালের আইনটির নাম ছিল NREGA, ২০০৯-এ মহাত্মা গান্ধীর নামে MGNREGA হয়। ২০২৫ সালে সংসদে পাস হওয়া VB-G RAM G Act, 2025 (Viksit Bharat Guarantee for Rozgar and Ajeevika Mission Gramin) এই আইনকে রিপ্লেস করেছে — কিন্তু জব কার্ড, নাম চেক ও পেমেন্ট ট্র্যাকিং আগের মতোই nrega.nic.in পোর্টালেই চলছে।

পশ্চিমবঙ্গে NREGA / VB-G RAM G মজুরি এখন কত টাকা?

FY 2026-27-এ পশ্চিমবঙ্গের নোটিফাইড দৈনিক মজুরি ₹৩০০ (আগের বছর ছিল ₹২৬০)। মজুরি হার প্রতি বছর এপ্রিলে সংশোধিত হয় — সর্বশেষ হার nrega.nic.in-এর 'Wage Rates' সেকশনে দেখুন।

জব কার্ডে নাম চেক করতে কী কী তথ্য লাগে?

কোনো লগইন বা তথ্য লাগে না। nrega.nic.in → Reports → State → West Bengal → Proceed → R1. Job Card/Employment Register → জেলা → ব্লক → পঞ্চায়েত বেছে নিলেই পুরো তালিকা খুলে যাবে। নাম বা জব কার্ড নম্বর দিয়ে খুঁজে নিন।

মজুরি টাকা ১৫ দিনের মধ্যে না এলে কী করব?

কাজ সম্পন্নের ১৫ দিনের মধ্যে মজুরি না পেলে আপনি দেরির ক্ষতিপূরণ (delay compensation) পাওয়ার অধিকারী। প্রথমে nrega.nic.in-এ FTO স্টেজ চেক করুন, তারপর গ্রাম পঞ্চায়েত ও ব্লক অফিসে লিখিত অভিযোগ করুন বা পোর্টালের Grievance সেকশনে অনলাইনে অভিযোগ জমা দিন।

জব কার্ড আবেদনের জন্য কি কাউকে টাকা দিতে হয়?

না। জব কার্ড আবেদন, ইস্যু ও ডুপ্লিকেট কার্ড — সবই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কোনো এজেন্ট বা দালালকে এক টাকাও দেবেন না। ফর্ম পাওয়ার জন্য শুধু গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে যান।

জব কার্ড হারিয়ে গেলে বা নামে ভুল থাকলে কী করব?

গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আধার কার্ড ও একটি ছবি নিয়ে গিয়ে ডুপ্লিকেট জব কার্ড বা নাম সংশোধনের আবেদন করুন — দুটোই বিনামূল্যে। মনে রাখবেন, ভুলভাবে কারও নাম জব কার্ড থেকে বাদ দেওয়ার আগে স্বামী/স্ত্রী-সহ শুনানির নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক।

বছরে কত দিনের কাজ পাওয়ার গ্যারান্টি আছে?

VB-G RAM G Act, 2025 অনুযায়ী গ্যারান্টি বেড়ে ১০০ দিন থেকে ১২৫ দিন হয়েছে (প্রতি গৃহে, বছরে)। ১৫ দিনের মধ্যে কাজ দেওয়া না হলে বেকার ভাতা (unemployment allowance) পাওয়ার অধিকারও বহাল আছে।

কাজ কি বাড়ি থেকে কত দূরে হতে পারে?

কাজের সাইট বাড়ি থেকে ৫ কিমি-র মধ্যে হওয়ার নিয়ম। ৫ কিমি-র বেশি দূরে কাজ করতে হলে মজুরির সঙ্গে অতিরিক্ত ১০% খাবার/ভ্রমণ ভাতা পাওয়ার অধিকার আছে।

সরাসরি সহায়তা ও সরকারি হেল্পলাইন

কোনো সমস্যা বা তথ্যের অস্পষ্টতা থাকলে সরকারি সহায়তা কেন্দ্রে সরাসরি যোগাযোগ করুন।